১২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আলোচনা সভায় সিটি মেয়র

৭ মার্চের ভাষণ ছিলো বাঙালির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির ডাক

rbt

###    খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ৭ মার্চ বাঙালির অনুপ্রেরণার উৎস। এটা শুধু পাকবাহিনী থেকে দেশকে মুক্ত করা না। এটা বাঙালিকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির ডাক ছিলো। তিনি বলেন, যে সময়ে বঙ্গবন্ধু পাকবাহিনী থেকে ভূখন্ড মুক্ত ও স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীনতার পরে তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির ডাক দিয়েছিলেন। একই সাথে তিনি দেশকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কালোবাজারী মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি যখন একে একে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছিলেন। দেশকে যখন একটি গ্রহণযোগ্য মর্যাদার স্থানে নিয়ে ছিলেল, ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়। থেমে যায় বাঙালির উন্নয়ণ অগ্রযাত্রা ও গণতন্ত্রের চাকা। শুরু হয় সামরিক স্বৈরশাসনের নির্যাতন। আবার নতুন আঙ্গিকে কেড়ে নেয়া হয় বাঙালির বাক স্বাধীনতা। তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা বাঙালির অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন করেন। তার দীর্ঘ ২১ বছরের আন্দোলনের পরে ’৯৬ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে মানুষের বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার কাজে হাত দেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে আবার ঘাপটি মেরে থাকা স্বাধীনতা বিরোধীরা ভোট চুরির মধ্যে দিয়ে পুনরায় গণতন্ত্রে গলা টিপে ধরে। আবার আন্দোলন করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে বিজয় অর্জন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে জীবন বাজী রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আত্ম মর্যাদাশীল জাতিতে পরিচিতি লাভ করেছে। যা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের উদ্দেশ্য ছিলো। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন আসুন সবাই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের যথাযথ মর্যাদা রাখতে দলমত নির্বিশেষে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মর্যাদাশীল স্মার্ট গড়ে তুলবো।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দলীয় কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবসে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতা তিনি এসব কথা বলেন। সভায় আরো বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ কামাল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল।

মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান খান খোকন, রনজিত কুমার ঘোষ, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, শেখ পীর আলী, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, শেখ নজিবুর রহমান নজীব, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, নূর জাহান রুমি, নূরিনা রহমান বিউটি, আইরিন চৌধুরী নীপা, কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর মীর মাহফুজুল রহমান লিটন, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী, মো. নুর ইসলাম, বাবুল সরদার বাদল, আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, ইউসুফ আলী খান, মীর মো. লিটন, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, মো. শিহাব উদ্দিন, মল্লিক নওশের আলী, মো. মোক্তার হোসেন, আফরোজা জেসমিন বিথী, আব্দুল মালেক, রেজওয়ানা প্রধান, রেখা খানম, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরা, কবির পাঠান, শেখ মো. আবুল হোসেন, মো শওকত হোসেন, নাছরিন ইসলাম তন্দ্রা, তোতা মিয়া ব্যাপারী, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মো. জিলহজ্জ হাওলাদার, মো. আমিরুল ইসলাম বাবু, মাসুদ হাসান সোহান, জহির আব্বাস, রাহুল শাহরিয়ার সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।
এর আগে সকাল ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এছাড়া নগরীর প্রত্যেক ওয়ার্ড অফিস, ইউনিট অফিস এবং মোড়ে মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন ও দেশাত্ববোধক গান প্রচার করা হয়। রাতে বঙ্গবন্ধুর জীবনালেখ্য নিয়ে প্রামাণ্য চিত্র সম্প্রচার করা হয়।##

Tag :
লেখক তথ্য সম্পর্কে

Dainik adhumati

জনপ্রিয়

আলোচনা সভায় সিটি মেয়র

৭ মার্চের ভাষণ ছিলো বাঙালির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির ডাক

প্রকাশিত সময় : ০১:০২:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

###    খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, ৭ মার্চ বাঙালির অনুপ্রেরণার উৎস। এটা শুধু পাকবাহিনী থেকে দেশকে মুক্ত করা না। এটা বাঙালিকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির ডাক ছিলো। তিনি বলেন, যে সময়ে বঙ্গবন্ধু পাকবাহিনী থেকে ভূখন্ড মুক্ত ও স্বাধীন করেছিলেন। স্বাধীনতার পরে তিনি অর্থনৈতিক মুক্তির ডাক দিয়েছিলেন। একই সাথে তিনি দেশকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও কালোবাজারী মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি যখন একে একে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছিলেন। দেশকে যখন একটি গ্রহণযোগ্য মর্যাদার স্থানে নিয়ে ছিলেল, ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়। থেমে যায় বাঙালির উন্নয়ণ অগ্রযাত্রা ও গণতন্ত্রের চাকা। শুরু হয় সামরিক স্বৈরশাসনের নির্যাতন। আবার নতুন আঙ্গিকে কেড়ে নেয়া হয় বাঙালির বাক স্বাধীনতা। তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা বাঙালির অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন করেন। তার দীর্ঘ ২১ বছরের আন্দোলনের পরে ’৯৬ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে মানুষের বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার কাজে হাত দেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে আবার ঘাপটি মেরে থাকা স্বাধীনতা বিরোধীরা ভোট চুরির মধ্যে দিয়ে পুনরায় গণতন্ত্রে গলা টিপে ধরে। আবার আন্দোলন করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে বিজয় অর্জন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে জীবন বাজী রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ আত্ম মর্যাদাশীল জাতিতে পরিচিতি লাভ করেছে। যা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের উদ্দেশ্য ছিলো। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন আসুন সবাই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের যথাযথ মর্যাদা রাখতে দলমত নির্বিশেষে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মর্যাদাশীল স্মার্ট গড়ে তুলবো।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দলীয় কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবসে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতা তিনি এসব কথা বলেন। সভায় আরো বক্তৃতা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ কামাল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল।

মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান খান খোকন, রনজিত কুমার ঘোষ, এ্যাড. এ কে এম শাহজাহান কচি, শেখ পীর আলী, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, এ্যাড. শামীম আহমেদ পলাশ, শেখ নজিবুর রহমান নজীব, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, নূর জাহান রুমি, নূরিনা রহমান বিউটি, আইরিন চৌধুরী নীপা, কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর মীর মাহফুজুল রহমান লিটন, কাউন্সিলর কণিকা সাহা, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আইয়ুব আলী, মো. নুর ইসলাম, বাবুল সরদার বাদল, আব্দুল হাই পলাশ, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, ইউসুফ আলী খান, মীর মো. লিটন, ওহিদুল ইসলাম পলাশ, মো. শিহাব উদ্দিন, মল্লিক নওশের আলী, মো. মোক্তার হোসেন, আফরোজা জেসমিন বিথী, আব্দুল মালেক, রেজওয়ানা প্রধান, রেখা খানম, সাবিহা ইসলাম আঙ্গুরা, কবির পাঠান, শেখ মো. আবুল হোসেন, মো শওকত হোসেন, নাছরিন ইসলাম তন্দ্রা, তোতা মিয়া ব্যাপারী, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মো. জিলহজ্জ হাওলাদার, মো. আমিরুল ইসলাম বাবু, মাসুদ হাসান সোহান, জহির আব্বাস, রাহুল শাহরিয়ার সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।
এর আগে সকাল ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এছাড়া নগরীর প্রত্যেক ওয়ার্ড অফিস, ইউনিট অফিস এবং মোড়ে মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন ও দেশাত্ববোধক গান প্রচার করা হয়। রাতে বঙ্গবন্ধুর জীবনালেখ্য নিয়ে প্রামাণ্য চিত্র সম্প্রচার করা হয়।##