ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের শিরোপা উঠল ড্যাফোডিলের হাতে বাইন্যান্সের ইতিহাসে বড় সাইবার হামলা, জড়িত উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা? মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকারের কঠিন পরীক্ষা ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে হকারদের জীবিকা পুঠিয়ায় তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস আইসিসিবিতে তিন দিনের কার এক্সপো, থাকছে আধুনিক হাইব্রিড গাড়িও যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে খুলনার ৬টিসহ ১৬ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল নীলফামারীতে দাদীর এইচএসসি পাস, নাতনির চোখে অনুপ্রেরণা ক্রেতাশূন্য ঢাকার শপিংমল, লোকসানে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা পূর্বাচলে অবৈধ আবাসন প্রকল্প চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে ৪ দলিল লেখক বহিষ্কার

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জাল কাগজপত্র দিয়ে দলিল লেখার অভিযোগে গত ১ মাসে ৪ জন দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক বহিষ্কৃত দলিল লেখকরা হলেন, সোনাটিয়া গ্রামের কাসেম শাহের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান শাহ, পাখরপাড় গ্রামের মৃত সুধীর মন্ডলের ছেলে শুক্রাচার্য মন্ডল, বংকুরা গ্রামের নেহাল উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের নিজামুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান বুলবুল শেখ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট কোটালীপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডল দুটি দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করেন। দলিলের সঙ্গে দেওয়া কাগজপত্র দেখে সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেনের সন্দেহ হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই-বাছাই করেন। তদন্তে দলিল দুটির সঙ্গে থাকা কাগজপত্র জাল বলে প্রমাণিত হলে ওই দুই দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এর আগে চলতি আগস্ট মাসের ৭ তারিখে জাল দলিল লেখার অভিযোগে নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল শেখকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ৪ দলিল লেখককে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না,এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বহিষ্কৃত দলিল লেখক মো. মনিরুজ্জামান শাহ বলেন, দাতা-গ্রহীতারা দলিল ও পর্চার কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে দলিল করার জন্য আসেন। নিয়ম মেনেই আমি কাগজপত্র প্রস্তুত করে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিই। পরে তিনি ভায়া দলিল ও দাখিলা জাল বলে জানান। এ ঘটনায় আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমি এরই মধ্যে নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছি।

অন্যদিকে, বহিষ্কৃত দলিল লেখক শুক্রাচার্য মন্ডলের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। কোটালীপাড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বলেন, দলিল রেজিস্ট্রির সময় জাল কাগজপত্র উপস্থাপনের কারণে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডলকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পূর্বে ২ দলিল লেখক সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এরা হলেন নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের শিরোপা উঠল ড্যাফোডিলের হাতে

কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে ৪ দলিল লেখক বহিষ্কার

আপডেটের সময় : ০৮:৫৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জাল কাগজপত্র দিয়ে দলিল লেখার অভিযোগে গত ১ মাসে ৪ জন দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক বহিষ্কৃত দলিল লেখকরা হলেন, সোনাটিয়া গ্রামের কাসেম শাহের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান শাহ, পাখরপাড় গ্রামের মৃত সুধীর মন্ডলের ছেলে শুক্রাচার্য মন্ডল, বংকুরা গ্রামের নেহাল উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের নিজামুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান বুলবুল শেখ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট কোটালীপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডল দুটি দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করেন। দলিলের সঙ্গে দেওয়া কাগজপত্র দেখে সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেনের সন্দেহ হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই-বাছাই করেন। তদন্তে দলিল দুটির সঙ্গে থাকা কাগজপত্র জাল বলে প্রমাণিত হলে ওই দুই দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এর আগে চলতি আগস্ট মাসের ৭ তারিখে জাল দলিল লেখার অভিযোগে নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল শেখকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ৪ দলিল লেখককে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না,এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বহিষ্কৃত দলিল লেখক মো. মনিরুজ্জামান শাহ বলেন, দাতা-গ্রহীতারা দলিল ও পর্চার কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে দলিল করার জন্য আসেন। নিয়ম মেনেই আমি কাগজপত্র প্রস্তুত করে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিই। পরে তিনি ভায়া দলিল ও দাখিলা জাল বলে জানান। এ ঘটনায় আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমি এরই মধ্যে নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছি।

অন্যদিকে, বহিষ্কৃত দলিল লেখক শুক্রাচার্য মন্ডলের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। কোটালীপাড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বলেন, দলিল রেজিস্ট্রির সময় জাল কাগজপত্র উপস্থাপনের কারণে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডলকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পূর্বে ২ দলিল লেখক সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এরা হলেন নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল।