ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের শিরোপা উঠল ড্যাফোডিলের হাতে বাইন্যান্সের ইতিহাসে বড় সাইবার হামলা, জড়িত উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা? মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকারের কঠিন পরীক্ষা ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে হকারদের জীবিকা পুঠিয়ায় তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস আইসিসিবিতে তিন দিনের কার এক্সপো, থাকছে আধুনিক হাইব্রিড গাড়িও যশোর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে খুলনার ৬টিসহ ১৬ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল নীলফামারীতে দাদীর এইচএসসি পাস, নাতনির চোখে অনুপ্রেরণা ক্রেতাশূন্য ঢাকার শপিংমল, লোকসানে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা পূর্বাচলে অবৈধ আবাসন প্রকল্প চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মধুমতি ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৭:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ সময়-দৃশ্য

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬কে কোনোভাবেই দমনমূলক আইনে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই আইনের অপব্যবহার থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া হবে। সোমবার সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া আইনের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ সভা শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আইটি বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম পেশাজীবী, মানবাধিকার সংস্থা এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনার পরই সরকার বিলটি চূড়ান্ত করবে। তিনি আরও বলেন, অধিকতর আলোচনার বিষয়ে মন্ত্রিসভার নির্দেশনার পর জনমত সংগ্রহের জন্য খসড়াটি ইতোমধ্যে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংগঠন, শিক্ষার্থী এবং সাইবার স্পেস ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে মতামত পাওয়া গেছে এবং সরকার তা পর্যালোচনা করছে। সভায় দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম প্রস্তাব করেন, আইনটি যেন সাংবাদিকদের ওপর বিরূপ প্রভাব না ফেলে এবং এতে সুরক্ষা বিধানসহ যথাযথ সুরক্ষাকবচ অন্তর্ভুক্ত থাকে, তা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আরও আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, সভায় আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা তাকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সুপারিশ জমা দেবেন এবং এরপর খসড়ায় তা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পরবর্তী ধাপে গণমাধ্যম সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাইবার বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন এবং তাদের সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার তাড়াহুড়ো করে সংসদে আইনটি পাস করাবে না; বরং চূড়ান্ত করার আগে সংসদীয় আলোচনার পাশাপাশি সংসদের বাইরে বিভিন্ন সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে উঠে আসা মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হবে। তিনি জানান, প্রস্তাবিত এই আইনের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ ও স্থানীয় সংস্কৃতি সমুন্নত রাখার পাশাপাশি দেশ ও দেশের নাগরিকদের, বিশেষ করে তরুণদের, সাইবার অপরাধ থেকে সুরক্ষার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ একটি কাঠামো তৈরি করা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের শিরোপা উঠল ড্যাফোডিলের হাতে

সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৭:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬কে কোনোভাবেই দমনমূলক আইনে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। সাইবার আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই আইনের অপব্যবহার থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া হবে। সোমবার সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া আইনের বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শ সভা শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামও ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আইটি বিশেষজ্ঞ, গণমাধ্যম পেশাজীবী, মানবাধিকার সংস্থা এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনার পরই সরকার বিলটি চূড়ান্ত করবে। তিনি আরও বলেন, অধিকতর আলোচনার বিষয়ে মন্ত্রিসভার নির্দেশনার পর জনমত সংগ্রহের জন্য খসড়াটি ইতোমধ্যে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংগঠন, শিক্ষার্থী এবং সাইবার স্পেস ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে মতামত পাওয়া গেছে এবং সরকার তা পর্যালোচনা করছে। সভায় দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম প্রস্তাব করেন, আইনটি যেন সাংবাদিকদের ওপর বিরূপ প্রভাব না ফেলে এবং এতে সুরক্ষা বিধানসহ যথাযথ সুরক্ষাকবচ অন্তর্ভুক্ত থাকে, তা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আরও আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, সভায় আলোচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ছিল কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা তাকে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সুপারিশ জমা দেবেন এবং এরপর খসড়ায় তা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পরবর্তী ধাপে গণমাধ্যম সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাইবার বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন এবং তাদের সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার তাড়াহুড়ো করে সংসদে আইনটি পাস করাবে না; বরং চূড়ান্ত করার আগে সংসদীয় আলোচনার পাশাপাশি সংসদের বাইরে বিভিন্ন সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে উঠে আসা মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হবে। তিনি জানান, প্রস্তাবিত এই আইনের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ ও স্থানীয় সংস্কৃতি সমুন্নত রাখার পাশাপাশি দেশ ও দেশের নাগরিকদের, বিশেষ করে তরুণদের, সাইবার অপরাধ থেকে সুরক্ষার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ একটি কাঠামো তৈরি করা।