খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কেকেবিএইউ) ইংরেজি বিভাগ ও কালচারাল ক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘অভিভাবক সমাবেশ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডেজিগনেট) প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের মতামত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম, নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে অভিভাবকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, অভিভাবকদের মূল্যবান মতামত ও গঠনমূলক পরামর্শের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ, নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলাবোধ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি এ ধরনের অভিভাবক সমাবেশ নিয়মিত আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে তিনি বিভিন্ন পর্বে শিক্ষার্থীদের মেডেল ও সনদপত্র প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম আতিয়ার রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ মিজানুজ্জামান এবং ইংরেজি বিভাগের অ্যাডভাইজর প্রফেসর ড. গাজী আবদুল্লাহেল বাকী। তাঁরা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত অগ্রগতি, একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনা ও দক্ষতা বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয় ও পরিবারের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইংরেজি বিভাগের প্রধান (ইন-চার্জ) সাদিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম, পাঠদান, গবেষণা, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি ও সার্বিক বিকাশে অভিভাবকদের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তাঁদের মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও উন্নত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ ইবাদত খান, সৈয়দ মিজানুর রহমান প্রমুখ। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই আয়োজনের প্রসংশা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, আস্থা ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অগ্রগতি ও সার্বিক উন্নয়নে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।
মধুমতি প্রতিবেদক : 













