ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী দিঘলিয়ায় দুইদিন ব্যাপী মতুয়া মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত কপিলমুনির সহচরী বিদ্যামন্দিরের ম্যানেজিং কমিটি গঠন : সভাপতি জেলা প্রশাসক ইসলামী আন্দোলন ১৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি মুকুল ও সেক্রেটারী আঃ রহিম ডিসেম্বরে দেশে ফেরার যে বার্তা হাসিনা দিচ্ছেন, তা কেবলই দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে : মহানগর সাধারণ সম্পাদক তুহিন জুলাই সনদ নিয়ে চলছে মায়াকান্না: আজিজুল বারী হেলাল চার সাংবাদিকের পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সহায়তা তুলে দিল এবিজি খুলনায় সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান পিআইবি মহাপরিচালকের

জুলাই সনদ নিয়ে চলছে মায়াকান্না: আজিজুল বারী হেলাল

 দিল্লিতে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং দেশে লংমার্চ করে ‘ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার’ হুমকির মধ্যে এক গভীর গোপন সংযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেছেন,১৭ বছর রাজপথে তাজা রক্ত দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছে, সেই গণতন্ত্রের ক্ষততে এখন কিছু পরাজিত ‘মাছি’ ভনভন করছে। দিল্লি বসে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হুংকার দিচ্ছে আর দেশে অন্য একটি দল লংমার্চ করে ডিসেম্বরের হুমকি দিচ্ছে উভয়ের এই দ্বৈত ষড়যন্ত্রের জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খুলনা জাতিসংঘ পার্কের সামনে থেকে শুরু হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হওয়া জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

হেলাল বলেন,পলাতক হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন। আর দেশে আরেকটি দল লংমার্চের নামে দাবি তুলে বলছে ডিসেম্বরে সরকারকে চলে যেতে হবে। আর দিল্লিতে তাদের ‘ফুফু শাশুড়ি’ বলছেন ডিসেম্বরে তিনি ফিরে আসবেন। এই আসা আর যাওয়ার সংযোগ এক সুতোয় গাঁথা। তারেক রহমানের নীতি স্পষ্ট‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। সবার আগে বাংলাদেশ, মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে হবে। জনগণ যাদের বিতাড়িত করেছে, দিল্লি বা মস্কো বসে তারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে আজিজুল বারী হেলাল দলটির অতীত ভূমিকার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আপনারা জাতির সঙ্গে বেইমানি করেছেন। ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় সবাইকে ফেলে আপনারা হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে গিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সংসদ বর্জন করে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করেছিলেন। এমনকি ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার ক্র্যাকডাউনের মুখে আপনারা আন্দোলন ছেড়ে আরামের পথে হেঁটেছিলেন। ইতিহাস বলে, আপনারা বারবার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন।

জুলাই জাতীয় সনদ ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতকে একহাত নিয়ে হেলাল বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে এখন মায়াকান্না চলছে। একমাত্র বিএনপিই শুরু থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সবচেয়ে আন্তরিক। জামায়াত জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে সবার শেষে। সনদে স্পষ্ট বলা ছিল বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিতে হবে, মা-বোনদের ৫ শতাংশ দলীয় মনোনয়ন দিতে হবে। জামায়াত কি একজন নারীকেও মনোনয়ন দিয়েছে? তারা কেবল মুখে লিপসার্ভিস দিচ্ছে। আসলে ধর্মের কার্ড জনগণ প্রত্যাখ্যান করায় এখন জুলাই সনদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর পাঁয়তারা চলছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি যখন সংসদে লড়াই করছে, তারেক রহমান যখন নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন, তখন এই দলটি ভারতের বিরুদ্ধে রাস্তায় একটা মিছিলও করেনি। গুম কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন বিল পাসের সময় সংসদ বর্জন করে নাটক করেছে। আবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে নিজেদের তহবিলের জন্য ৫০ কোটি টাকা চেয়ে রাজনৈতিক সভ্যতা ধ্বংস করেছে। হেলাল নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের ৩৪ বছরের অগ্নিপরীক্ষায় খাঁটি সোনা হয়ে বিএনপি রাজপথে দাঁড়িয়েছে। কোনো অপশক্তিকে গণতন্ত্র নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে নিয়ে রাজপথেই সব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

খুলনা জেলা যুবদলের সভাপতি নাজিমুজ্জামান জনির সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী,যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, সদস্য জুলফিকার আলি জুলু, আশরাফুল আলম নান্নু। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন,সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ আবু জাফর, সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ সহ জেলা যুবদল সেচ্ছাসেবক দল,ছাত্রদলের  উপজেলা ও পৌরর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

জুলাই সনদ নিয়ে চলছে মায়াকান্না: আজিজুল বারী হেলাল

আপডেটের সময় : ০৬:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 দিল্লিতে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং দেশে লংমার্চ করে ‘ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার’ হুমকির মধ্যে এক গভীর গোপন সংযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেছেন,১৭ বছর রাজপথে তাজা রক্ত দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে গণতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয়েছে, সেই গণতন্ত্রের ক্ষততে এখন কিছু পরাজিত ‘মাছি’ ভনভন করছে। দিল্লি বসে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হুংকার দিচ্ছে আর দেশে অন্য একটি দল লংমার্চ করে ডিসেম্বরের হুমকি দিচ্ছে উভয়ের এই দ্বৈত ষড়যন্ত্রের জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খুলনা জাতিসংঘ পার্কের সামনে থেকে শুরু হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হওয়া জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চক্রান্তের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

হেলাল বলেন,পলাতক হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন। আর দেশে আরেকটি দল লংমার্চের নামে দাবি তুলে বলছে ডিসেম্বরে সরকারকে চলে যেতে হবে। আর দিল্লিতে তাদের ‘ফুফু শাশুড়ি’ বলছেন ডিসেম্বরে তিনি ফিরে আসবেন। এই আসা আর যাওয়ার সংযোগ এক সুতোয় গাঁথা। তারেক রহমানের নীতি স্পষ্ট‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। সবার আগে বাংলাদেশ, মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে হবে। জনগণ যাদের বিতাড়িত করেছে, দিল্লি বা মস্কো বসে তারা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে আজিজুল বারী হেলাল দলটির অতীত ভূমিকার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আপনারা জাতির সঙ্গে বেইমানি করেছেন। ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় সবাইকে ফেলে আপনারা হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে গিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সংসদ বর্জন করে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করেছিলেন। এমনকি ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার ক্র্যাকডাউনের মুখে আপনারা আন্দোলন ছেড়ে আরামের পথে হেঁটেছিলেন। ইতিহাস বলে, আপনারা বারবার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন।

জুলাই জাতীয় সনদ ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতকে একহাত নিয়ে হেলাল বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে এখন মায়াকান্না চলছে। একমাত্র বিএনপিই শুরু থেকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সবচেয়ে আন্তরিক। জামায়াত জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে সবার শেষে। সনদে স্পষ্ট বলা ছিল বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিতে হবে, মা-বোনদের ৫ শতাংশ দলীয় মনোনয়ন দিতে হবে। জামায়াত কি একজন নারীকেও মনোনয়ন দিয়েছে? তারা কেবল মুখে লিপসার্ভিস দিচ্ছে। আসলে ধর্মের কার্ড জনগণ প্রত্যাখ্যান করায় এখন জুলাই সনদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর পাঁয়তারা চলছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি যখন সংসদে লড়াই করছে, তারেক রহমান যখন নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন, তখন এই দলটি ভারতের বিরুদ্ধে রাস্তায় একটা মিছিলও করেনি। গুম কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন বিল পাসের সময় সংসদ বর্জন করে নাটক করেছে। আবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে নিজেদের তহবিলের জন্য ৫০ কোটি টাকা চেয়ে রাজনৈতিক সভ্যতা ধ্বংস করেছে। হেলাল নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের ৩৪ বছরের অগ্নিপরীক্ষায় খাঁটি সোনা হয়ে বিএনপি রাজপথে দাঁড়িয়েছে। কোনো অপশক্তিকে গণতন্ত্র নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে নিয়ে রাজপথেই সব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

খুলনা জেলা যুবদলের সভাপতি নাজিমুজ্জামান জনির সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী,যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, সদস্য জুলফিকার আলি জুলু, আশরাফুল আলম নান্নু। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন,সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ আবু জাফর, সদস্য সচিব ইসমাইল হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ সহ জেলা যুবদল সেচ্ছাসেবক দল,ছাত্রদলের  উপজেলা ও পৌরর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।