ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী দিঘলিয়ায় দুইদিন ব্যাপী মতুয়া মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত কপিলমুনির সহচরী বিদ্যামন্দিরের ম্যানেজিং কমিটি গঠন : সভাপতি জেলা প্রশাসক ইসলামী আন্দোলন ১৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি মুকুল ও সেক্রেটারী আঃ রহিম ডিসেম্বরে দেশে ফেরার যে বার্তা হাসিনা দিচ্ছেন, তা কেবলই দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে : মহানগর সাধারণ সম্পাদক তুহিন জুলাই সনদ নিয়ে চলছে মায়াকান্না: আজিজুল বারী হেলাল চার সাংবাদিকের পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সহায়তা তুলে দিল এবিজি খুলনায় সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান পিআইবি মহাপরিচালকের

খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে নানা আয়োজনে ‘সেবা পক্ষ’-২০২৬ উদযাপন

খুলনায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে নানান আয়োজনে ‘সেবা পক্ষ’-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নগরীর শামসুর রহমান রোডস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন চত্বরে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর, সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আগামীর লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার লক্ষ্য নিয়ে সেবা পক্ষের কমর্সূচীর সূচনা করেন সহকারী হাইকমিশনার শ্রী পবণ কুমার। জনসেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা, শিক্ষা ও সচেতনতা, সর্বজনীন অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি শ্রোগানে সেবা পক্ষ উপলক্ষ্যে স্বচ্ছতার শপথ পাঠ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কমর্সূচী পালিত হয়।

অনুষ্টানে স্বচ্ছতা শপথ পাঠ করান সহকারী হাইকমিশনার শ্রী পবণ কুমার। এ সময় তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধী এমন এক ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন যা কেবল স্বাধীনই নয়, বরং পরিচ্ছন্ন ও উন্নতও হবে। মহাত্মা গান্ধী ভারত মাতার জন্য স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। এখন দেশকে পরিচ্ছন্ন ও পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ভারত মাতার সেবা করা আমাদের কর্তব্য।

তিনি শপথ বাক্য পাঠে বলেন, আমরা সকলে পরিচ্ছন্নতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং এর জন্য সময় উৎসর্গ করব। প্রতি বছর ১০০ ঘণ্টা অর্থাৎ সপ্তাহে দুই ঘণ্টা—স্বেচ্ছায় পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যয় করব। নিজে কোথাও আবর্জনা ফেলব না এবং অন্য কাউকেও তা ফেলতে দেব না। আমার নিজের থেকে, আমার পরিবার, আমার এলাকা, আমার গ্রাম এবং আমার কর্মস্থল থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সূচনা করব। আমরা বিশ্বাস করি, বিশ্বের যেসব দেশকে পরিচ্ছন্ন মনে হয়, তার কারণ হলো সেখানকার নাগরিকরা নিজেরা আবর্জনা ফেলেন না এবং অন্য কাউকেও তা করতে দেন না। এই দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে আমরা গ্রাম ও শহরে ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর বার্তা ছড়িয়ে দেব এবং তা গ্রহণের জন্য আমি আরও ১০০ জন ব্যক্তিকে উৎসাহিত করব।

এরআগে সেবা পক্ষ উপলক্ষ্যে সহকারী হাইকমিশন অফিস থেকে নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠ ঘুরে অফিস পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহনে বিকশিত-ভারত দৌড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানের শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে নানা আয়োজনে ‘সেবা পক্ষ’-২০২৬ উদযাপন

আপডেটের সময় : ১২:২০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনে নানান আয়োজনে ‘সেবা পক্ষ’-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নগরীর শামসুর রহমান রোডস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন চত্বরে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর, সবুজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আগামীর লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার লক্ষ্য নিয়ে সেবা পক্ষের কমর্সূচীর সূচনা করেন সহকারী হাইকমিশনার শ্রী পবণ কুমার। জনসেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা, শিক্ষা ও সচেতনতা, সর্বজনীন অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি শ্রোগানে সেবা পক্ষ উপলক্ষ্যে স্বচ্ছতার শপথ পাঠ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কমর্সূচী পালিত হয়।

অনুষ্টানে স্বচ্ছতা শপথ পাঠ করান সহকারী হাইকমিশনার শ্রী পবণ কুমার। এ সময় তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধী এমন এক ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন যা কেবল স্বাধীনই নয়, বরং পরিচ্ছন্ন ও উন্নতও হবে। মহাত্মা গান্ধী ভারত মাতার জন্য স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। এখন দেশকে পরিচ্ছন্ন ও পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ভারত মাতার সেবা করা আমাদের কর্তব্য।

তিনি শপথ বাক্য পাঠে বলেন, আমরা সকলে পরিচ্ছন্নতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং এর জন্য সময় উৎসর্গ করব। প্রতি বছর ১০০ ঘণ্টা অর্থাৎ সপ্তাহে দুই ঘণ্টা—স্বেচ্ছায় পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যয় করব। নিজে কোথাও আবর্জনা ফেলব না এবং অন্য কাউকেও তা ফেলতে দেব না। আমার নিজের থেকে, আমার পরিবার, আমার এলাকা, আমার গ্রাম এবং আমার কর্মস্থল থেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সূচনা করব। আমরা বিশ্বাস করি, বিশ্বের যেসব দেশকে পরিচ্ছন্ন মনে হয়, তার কারণ হলো সেখানকার নাগরিকরা নিজেরা আবর্জনা ফেলেন না এবং অন্য কাউকেও তা করতে দেন না। এই দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে আমরা গ্রাম ও শহরে ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর বার্তা ছড়িয়ে দেব এবং তা গ্রহণের জন্য আমি আরও ১০০ জন ব্যক্তিকে উৎসাহিত করব।

এরআগে সেবা পক্ষ উপলক্ষ্যে সহকারী হাইকমিশন অফিস থেকে নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠ ঘুরে অফিস পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহনে বিকশিত-ভারত দৌড় প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানের শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।