ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী দিঘলিয়ায় দুইদিন ব্যাপী মতুয়া মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত কপিলমুনির সহচরী বিদ্যামন্দিরের ম্যানেজিং কমিটি গঠন : সভাপতি জেলা প্রশাসক ইসলামী আন্দোলন ১৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি মুকুল ও সেক্রেটারী আঃ রহিম ডিসেম্বরে দেশে ফেরার যে বার্তা হাসিনা দিচ্ছেন, তা কেবলই দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে : মহানগর সাধারণ সম্পাদক তুহিন জুলাই সনদ নিয়ে চলছে মায়াকান্না: আজিজুল বারী হেলাল চার সাংবাদিকের পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সহায়তা তুলে দিল এবিজি খুলনায় সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান পিআইবি মহাপরিচালকের

সময় ও পথ দুটোই কমবে, আফতাবনগর-বনশ্রীতে নতুন ফুটওভার ব্রিজ

  • ষ্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেটের সময় : ০৯:২১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়ন ও উদ্যোগে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ব্রিজটি নগরবাসীর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। নতুন এই ফুটওভার ব্রিজ চালুর ফলে রামপুরা খালের দুই পাড়ে অবস্থিত ঘনবসতিপূর্ণ আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতদিন খালের এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে পথচারীদের বেশ কিছুটা ঘুরে যেতে হতো। ফলে সময় ও ভোগান্তি—দুটিই বাড়ত। এখন সরাসরি খাল পারাপারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দুই এলাকার বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল আরও সহজ হবে।

ডিএনসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন সংযোগের ফলে পথচারীদের প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই ব্রিজ নগর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে দীর্ঘদিন সাক্ষ্য বহন করবে। তিনি আরও বলেন, “আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে সময় বাঁচবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট, যা নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আমরা নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করতে ও জনদুর্ভোগ কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনা ও যানজট নিরসনে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, উন্নয়ন কার্যক্রম শুধু পদচারী পারাপারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। রামপুরা খালের ওপর আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।

মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ভবিষ্যতে রাজধানীতে মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্পের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে যানজটের চাপ বাড়তে পারে। সে সময় নির্মিত ও প্রস্তাবিত ব্রিজগুলো বিকল্প বা ‘বাইপাস রুট’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার মতে, এসব বিকল্প সংযোগ চালু হলে রামপুরা-বাড্ডা সংলগ্ন প্রধান সড়কগুলোর ওপর যানবাহনের চাপ কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

সময় ও পথ দুটোই কমবে, আফতাবনগর-বনশ্রীতে নতুন ফুটওভার ব্রিজ

আপডেটের সময় : ০৯:২১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়ন ও উদ্যোগে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ব্রিজটি নগরবাসীর চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। নতুন এই ফুটওভার ব্রিজ চালুর ফলে রামপুরা খালের দুই পাড়ে অবস্থিত ঘনবসতিপূর্ণ আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতদিন খালের এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যেতে পথচারীদের বেশ কিছুটা ঘুরে যেতে হতো। ফলে সময় ও ভোগান্তি—দুটিই বাড়ত। এখন সরাসরি খাল পারাপারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দুই এলাকার বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল আরও সহজ হবে।

ডিএনসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন সংযোগের ফলে পথচারীদের প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এই সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই ব্রিজ নগর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে দীর্ঘদিন সাক্ষ্য বহন করবে। তিনি আরও বলেন, “আফতাবনগর এবং বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সংযোগ স্থাপন। এই ব্রিজ নির্মাণের ফলে এখন থেকে নাগরিকদের যাতায়াতে সময় বাঁচবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট, যা নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। আমরা নগরবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজ করতে ও জনদুর্ভোগ কমাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ভবিষ্যৎ নগর পরিকল্পনা ও যানজট নিরসনে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, উন্নয়ন কার্যক্রম শুধু পদচারী পারাপারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। রামপুরা খালের ওপর আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।

মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ভবিষ্যতে রাজধানীতে মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্পের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোতে যানজটের চাপ বাড়তে পারে। সে সময় নির্মিত ও প্রস্তাবিত ব্রিজগুলো বিকল্প বা ‘বাইপাস রুট’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার মতে, এসব বিকল্প সংযোগ চালু হলে রামপুরা-বাড্ডা সংলগ্ন প্রধান সড়কগুলোর ওপর যানবাহনের চাপ কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।