ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

কুমিল্লার চান্দিনায় জমি বিরোধে শিল্পী রাণী দাশ হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন

কুমিল্লার চান্দিনায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শিল্পী রাণী দাশ হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বকুল রাণী দাশ নামে অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মিথিলা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল বারইপাড়া এলাকার সমির চন্দ্র দাশ ও তাঁর স্ত্রী রূপালী রাণী দাশ। রায় ঘোষণার সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে খালাস পাওয়া বকুল রাণী দাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি সকালে মহিচাইল এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রনজিৎ চন্দ্র দাশ ও তাঁর স্ত্রী শিল্পী রাণী দাশের সঙ্গে আসামিদের কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ধারালো দা দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিল্পী রাণী দাশকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রনজিৎ চন্দ্র দাশকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।
ঘটনার দিনই নিহতের ভাসুর নিতাই চন্দ্র দাশ তিনজনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত সমির চন্দ্র দাশ ও রূপালী রাণী দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বকুল রাণী দাশকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল মিয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

কুমিল্লার চান্দিনায় জমি বিরোধে শিল্পী রাণী দাশ হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন

আপডেটের সময় : ১১:২৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার চান্দিনায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শিল্পী রাণী দাশ হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বকুল রাণী দাশ নামে অপর এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মিথিলা ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল বারইপাড়া এলাকার সমির চন্দ্র দাশ ও তাঁর স্ত্রী রূপালী রাণী দাশ। রায় ঘোষণার সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে খালাস পাওয়া বকুল রাণী দাশ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি সকালে মহিচাইল এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রনজিৎ চন্দ্র দাশ ও তাঁর স্ত্রী শিল্পী রাণী দাশের সঙ্গে আসামিদের কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ধারালো দা দিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শিল্পী রাণী দাশকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত রনজিৎ চন্দ্র দাশকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।
ঘটনার দিনই নিহতের ভাসুর নিতাই চন্দ্র দাশ তিনজনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত সমির চন্দ্র দাশ ও রূপালী রাণী দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বকুল রাণী দাশকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল মিয়া।