ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

সংকটের মেঘ কেটে রোদের দেখা: মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত কিংস

​ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি।
বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ।
​মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে।
​২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
​সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।
​বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

সংকটের মেঘ কেটে রোদের দেখা: মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত কিংস

আপডেটের সময় : ০৫:২৬:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​ফিফার সাময়িক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত হয়েছে আবাহনী লিমিটেড, বসুন্ধরা কিংস ও ইয়াংমেনস ফকিরেরপুল ক্লাব। বকেয়া মিটিয়ে তারা লাইসেন্সিংয়ের প্রাথমিক বাধা পার করেছে। এটা দেশের ফুটবল অঙ্গনের জন্য বিরাট স্বস্তি।
বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ছাড়া ২০২৬-২৭ মৌসুমের লীগের কথা কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ২০০৭ সালে পেশাদার লীগ শুরু হওয়ার পর থেকে এ দুটি ক্লাবই ছয়বার করে শিরোপা ঘরে তুলেছে। যা ফুটবল অঙ্গনে তাদের প্রভাবের বড় প্রমাণ।
​মাঠের বাইরের আলোচনা কাটিয়ে এখন দল গঠনের হিড়িক লেগেছে। মোহামেডান শুরু থেকেই ফুরফুরে মেজাজে দল গুছিয়ে বিদেশি কোচ নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে আবাহনী চমক দেখিয়েছে নাইজেরিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফরোয়ার্ড মাইকেল বাবাতুন্দেকে দলে নিয়ে। ১৩ দলের অংশগ্রহণে আসন্ন লীগের কাগজ-কলমের শক্তি নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই সাতটি দলের মূল শিরোপা দৌড়ে থাকার সম্ভাবনা মৌসুমকে জমজমাট করে তুলবে।
​২০১৮-১৯ মৌসুমে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বসুন্ধরা কিংস কেবল একটানা পাঁচটি লীগ ট্রফি জয়ই করেনি, দেশের ফুটবল ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটানা এতগুলো শিরোপা জয়ের রেকর্ড আর কারও নেই। নারী দলসহ তাদের ট্রফি কেবিনেটে জমা হয়েছে মোট ২০টি শিরোপা। যা এক অনন্য নজির। পেশাদারিত্ব, দায়বদ্ধতা এবং দারুণ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কারণে দলটি তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
​সাম্প্রতিক সময়ের নানা পারিপার্শ্বিক সংকটে কিংস কঠিন পথ অতিক্রম করলেও পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় বিশ্বাস ধরে রেখেছিল। সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের ব্যবস্থাপনা এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোহবানের অব্যাহত সমর্থনে ক্লাবটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শুধু ক্লাব পরিচালনা নয়, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার ক্রীড়াকাঠামো তৈরি করে দক্ষিণ এশিয়ায় এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।
​বসুন্ধরা কিংসের নজর এখন আগামী মৌসুমে সবকটি ট্রফি নিজেদের করে রাখা। জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিদায় নিলেও রবসন রোবিনহোর প্রত্যাবর্তন এবং দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞদের নিয়ে ৩৫ সদস্যের দল ক্লাবটিকে বিশাল মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে। অভিজ্ঞ স্থানীয় কোচিং প্যানেলের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন শুরু হয়ে গেছে। মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের প্রমাণ করে ঐতিহ্য ও সুনামের পতাকাকে আবারও উঁচুতে তুলে ধরতেই প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস।