পটুয়াখালীর বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এক ব্যবসায়ীর দোকানে তালা লাগানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সৈয়দ মো. সোহাগ নামে এক যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারী ব্যবসায়ী মো. নাইম হোসেন (৩০) উপজেলার পূর্ব কালাইয়া গ্রামের মো. বাবলু চৌকিদারের ছেলে। শৌলা তারের পোল বাজারে তার একটি কীটনাশকের দোকান রয়েছে। পাশাপাশি তিনি ট্রলি ব্যবসা এবং মৌসুমি তরমুজ চাষ ও পরিবহনের কাজের সঙ্গে যুক্ত।
থানায় লিখিত অভিযোগ ও নাইমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত তরমুজ মৌসুম শেষ হওয়ার পর থেকেই তার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন সোহাগ। টাকা না দেওয়ায় প্রায় ২০ দিন আগে কয়েকজন লোক নিয়ে এসে সোহাগ তার কীটনাশকের দোকানে তালা লাগিয়ে দেন বলে নাইম অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তালা ভেঙে দোকানটি পুনরায় চালু করা হয়। নাইমের অভিযোগ, দোকান চালুর পর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সোহাগের সঙ্গে বিরোধ আরও বাড়ে। এরপর বিভিন্ন সময় তাকে ও তার বাবাকে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ ও হুমকি দেওয়া হতে থাকে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার আবারও টাকা দাবি করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল কর্মী সৈয়দ মো. সোহাগ। তার দাবি, গত বছর তরমুজ মৌসুমে তার এক ভায়রার ৩৫ একর জমির তরমুজ নাইমের গাড়িতে পরিবহন করা হয়েছিল। সে সময় চুক্তি অনুযায়ী প্রতি পিস তরমুজ বাবদ তাকে এক টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও নাইম তা পরিশোধ করেননি। মূলত ওই পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। দোকানে তালা লাগানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন সোহাগ।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে চাঁদাবাজির সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালী প্রতিনিধি : 

















