ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

আমরা ছাত্র হওয়ার জন্য সংসদে আসিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জামায়াত আমির

  • মধুমতি ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৭:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ সময়-দৃশ্য

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে ‘শিক্ষকের ভূমিকা পালন করার’ বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শিক্ষকতা করতে হলে সংসদে নয়, একটি ইউনিভার্সিটি খুলুন। সেখানে যার পছন্দ হবে, ভর্তি হবে এবং তার লেকচার শুনবে। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য সংসদে আসিনি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনের বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলো উচ্চারণ করেন নাই। সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন সবাইকে। তিনি আরও বলেন, ‘উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজেকে কী মনে করেন, আমি বুঝতে পারি না। এমনকি তিনি এখানে দাঁড়িয়ে সেই দুঃসাহস দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন- এই সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসিনি। শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটি ইউনিভার্সিটি খুলুন। সেখানে যার পছন্দ হয়, ভর্তি হবে এবং তার লেকচার শুনবে।’ জামায়াত আমির এমন বক্তব্যের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেসে ওঠেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আজ একই বক্তব্যে তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) দুইবার আক্রমণ করে ফেললেন। আমিসহ আমার সঙ্গীরা মনে করি, এটা কালচারাল নয়, এটা পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম। এটা হওয়া উচিত নয়।’ শফিকুর রহমান বলেন, ‘উনি আজ নতুন করে এসব বলেননি। আমি আজ সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই পার্লামেন্টের সৌন্দর্য বিধানের জন্য তাকে দুঃখপ্রকাশ করতে হবে এবং তার বক্তব্য সংসদের কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। এটুকু করলে আমরা বসব। না হলে অপমান নিয়ে আমাদের এখানে বসার প্রশ্নই ওঠে না।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

আমরা ছাত্র হওয়ার জন্য সংসদে আসিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জামায়াত আমির

আপডেটের সময় : ০৭:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে ‘শিক্ষকের ভূমিকা পালন করার’ বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, শিক্ষকতা করতে হলে সংসদে নয়, একটি ইউনিভার্সিটি খুলুন। সেখানে যার পছন্দ হবে, ভর্তি হবে এবং তার লেকচার শুনবে। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য সংসদে আসিনি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনের বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজকে নতুন করে তিনি এই শব্দগুলো উচ্চারণ করেন নাই। সংসদ অধিবেশন যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন সবাইকে। তিনি আরও বলেন, ‘উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজেকে কী মনে করেন, আমি বুঝতে পারি না। এমনকি তিনি এখানে দাঁড়িয়ে সেই দুঃসাহস দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন- এই সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসিনি। শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটি ইউনিভার্সিটি খুলুন। সেখানে যার পছন্দ হয়, ভর্তি হবে এবং তার লেকচার শুনবে।’ জামায়াত আমির এমন বক্তব্যের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেসে ওঠেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘আজ একই বক্তব্যে তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) দুইবার আক্রমণ করে ফেললেন। আমিসহ আমার সঙ্গীরা মনে করি, এটা কালচারাল নয়, এটা পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম। এটা হওয়া উচিত নয়।’ শফিকুর রহমান বলেন, ‘উনি আজ নতুন করে এসব বলেননি। আমি আজ সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এই পার্লামেন্টের সৌন্দর্য বিধানের জন্য তাকে দুঃখপ্রকাশ করতে হবে এবং তার বক্তব্য সংসদের কার্যপ্রণালি থেকে এক্সপাঞ্জ করতে হবে। এটুকু করলে আমরা বসব। না হলে অপমান নিয়ে আমাদের এখানে বসার প্রশ্নই ওঠে না।’