ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্বাভাস :

বাংলাদেশ বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাবে

আগামী ২০৩০ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ১৫০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে নিজেদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বিশেষ করে এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলো উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পাবে। আইএমএফের পূর্বাভাসের বরাতে তৈরি প্রতিবেদনে ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ বিশ্বের সবগুলো দেশের ২০৩০ সালের ‘ইকোনোমিক আউটলুকের’ মিনিমাল জিডেপির তথ্য উল্লেখ করেছে। বর্তমান সময়ের মতো ২০৩০ সালেরও বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র (৩৭.৭ ট্রিলিয়ন), চীন (২৬ ট্রিলিয়ন) এবং জার্মানি (৬ ট্রিলিয়ন)। আর এই তিন বৃহৎ অর্থনীতি মিলে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে যোগ করবে আরও ১০ ট্রিলিয়ন ডলার। আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বৃহৎ অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান হবে ৩২তম। এরমাধ্যমে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবে। যদি বর্তমান বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তাহলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশের জিডেপি দাঁড়াবে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে। আইএমএফের পূর্ভাবাসে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, কিউবা, ইরিত্রিয়া, লেবানন, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলার তথ্য নেই।২০৩০ সালে তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতির স্থানের ক্ষেত্রে ভারত ও জার্মানির একেঅপরের খুব কাছাকাছি থাকবে। ওই সময় জার্মানির জিডেপি থাকবে ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার। অপরদিকে ভারতের থাকবে ৬ দশমিক ১৭৩ ডলার। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে ব্যবধান থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার। আর বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ভারত জার্মানিকে নমিনাল জিডেপিতে ছাড়িয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে চীন ও ভারতের পর জাপানের অবস্থান হবে তৃতীয়। তাদের জিডেপি থাকবে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এরপর যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া (২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার), ইন্দোনেশিয়া (২.১ ট্রিলিয়ন ডলার)। জাপান এক সময় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে চীন এবং ২০২৪ সালে জার্মানি তাদের ছাড়িয়ে যায়। বৃহৎ অর্থনীতির দেশ কী? যেসব দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বেশি তাদের বৃহৎ অর্থনীতি বলা হয়। একটি দেশের ভেতরে এক বছরে মোট যত পণ্য ও সেবা তৈরি হয় তার আর্থিক মূল্য হলো জিডিপি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্বাভাস :

বাংলাদেশ বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাবে

আপডেটের সময় : ১০:১৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ২০৩০ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ১৫০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে নিজেদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। বিশেষ করে এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলো উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পাবে। আইএমএফের পূর্বাভাসের বরাতে তৈরি প্রতিবেদনে ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ বিশ্বের সবগুলো দেশের ২০৩০ সালের ‘ইকোনোমিক আউটলুকের’ মিনিমাল জিডেপির তথ্য উল্লেখ করেছে। বর্তমান সময়ের মতো ২০৩০ সালেরও বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশ থাকবে যুক্তরাষ্ট্র (৩৭.৭ ট্রিলিয়ন), চীন (২৬ ট্রিলিয়ন) এবং জার্মানি (৬ ট্রিলিয়ন)। আর এই তিন বৃহৎ অর্থনীতি মিলে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে যোগ করবে আরও ১০ ট্রিলিয়ন ডলার। আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বৃহৎ অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান হবে ৩২তম। এরমাধ্যমে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবে। যদি বর্তমান বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তাহলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশের জিডেপি দাঁড়াবে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে। আইএমএফের পূর্ভাবাসে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, কিউবা, ইরিত্রিয়া, লেবানন, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলার তথ্য নেই।২০৩০ সালে তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতির স্থানের ক্ষেত্রে ভারত ও জার্মানির একেঅপরের খুব কাছাকাছি থাকবে। ওই সময় জার্মানির জিডেপি থাকবে ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার। অপরদিকে ভারতের থাকবে ৬ দশমিক ১৭৩ ডলার। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে ব্যবধান থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার। আর বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ভারত জার্মানিকে নমিনাল জিডেপিতে ছাড়িয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে চীন ও ভারতের পর জাপানের অবস্থান হবে তৃতীয়। তাদের জিডেপি থাকবে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এরপর যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া (২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার), ইন্দোনেশিয়া (২.১ ট্রিলিয়ন ডলার)। জাপান এক সময় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ছিল। কিন্তু ২০১০ সালে চীন এবং ২০২৪ সালে জার্মানি তাদের ছাড়িয়ে যায়। বৃহৎ অর্থনীতির দেশ কী? যেসব দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বেশি তাদের বৃহৎ অর্থনীতি বলা হয়। একটি দেশের ভেতরে এক বছরে মোট যত পণ্য ও সেবা তৈরি হয় তার আর্থিক মূল্য হলো জিডিপি।