ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
শাহজালালের এয়ারসাইডে নজরদারির বাইরে শত শত যানবাহন মাদক সেবনের অভিযোগে সাজা, তদন্তে স্পষ্ট হওয়া দরকার যেসব প্রশ্ন আইসিসিবিতে চলছে জাতীয় ফার্নিচার মেলা, আসবাবে ১৫ শতাংশ ছাড় শিক্ষার পথে আর্থিক বাধা দূর করতে শুভকে সহায়তা এবিজি ফাউন্ডেশনের উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এক্সপো অটিজমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন ইয়াশা সোবহান বর্ণিল আয়োজনে মাঠে গড়াল এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ সংসদ ও দুদককে দেয়া হাইকোর্টের ১৬ পরামর্শ চার বছরেও বাস্তায়ন হয়নি রাজনৈতিক চাপের কাছে অসহায় ইসি: গোলাম পরওয়ার জাপান সফর: জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান

আইসিসিবিতে চলছে জাতীয় ফার্নিচার মেলা, আসবাবে ১৫ শতাংশ ছাড়

দেশীয় আসবাবশিল্পের আধুনিক নকশা, পণ্যের বৈচিত্র্য ও নতুন উদ্ভাবন তুলে ধরতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ২১তম জাতীয় ফার্নিচার মেলা। বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির (বিএফএসএমএস) আয়োজনে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় অংশ নিয়েছে দেশের ৪৪টি শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানগুলো ৩২৩টি স্টলে তাদের বিভিন্ন ধরনের আসবাব ও আধুনিক ডিজাইনের পণ্য প্রদর্শন করছে।

গতকাল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ মেলা আইসিসিবির পুষ্পগুচ্ছ, রাজদর্শন ও নবরাত্রি হলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। প্রবেশে কোনো ফি লাগবে না। পাশাপাশি মেলা উপলক্ষে ক্রেতারা বিভিন্ন আসবাবের ওপর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক এবং বাংলাদেশ ফার্নিচার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ড. কে এম আকতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএফএসএমএসের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, দেশের আসবাবশিল্প অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে এ খাতে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটি শিল্পটির ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, তৈরি পোশাকশিল্পের মতো প্রচলিত রপ্তানি খাতের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ফার্নিচার ব্র্যান্ডগুলোর অবস্থান তৈরি হওয়া দেশের জন্য গর্বের বিষয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার আসবাবের বাজার গড়ে উঠেছে, যার পুরোটাই এখন দেশীয় শিল্পের দখলে।

বিএফএসএমএসের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান বলেন, দেশীয় আসবাবশিল্পের অগ্রগতি ধরে রাখতে পণ্যের মান উন্নয়ন, নকশা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়ন এবং দক্ষ জনবলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

মেলা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএফএসএমএসের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ শেখ আবদুল আউয়াল বলেন, জাতীয় ফার্নিচার মেলা দেশীয় উৎপাদকদের নতুন নকশা, পণ্যের বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবন ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে। একই স্থানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর অংশগ্রহণের ফলে ক্রেতারা বিভিন্ন পণ্যের নকশা ও বৈশিষ্ট্য তুলনা করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী আসবাব বেছে নিতে পারবেন।

মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে আখতার, হাতিল, ব্রাদার্স, নাদিয়া, আয়ত, ওমেগা, জেএমজি, নাভানা, অ্যাথেনাস, পারটেক্স, রিগাল ও লেগাসিসহ বিভিন্ন পরিচিত ব্র্যান্ড। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।

মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টার (ডিটিসি)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

শাহজালালের এয়ারসাইডে নজরদারির বাইরে শত শত যানবাহন

আইসিসিবিতে চলছে জাতীয় ফার্নিচার মেলা, আসবাবে ১৫ শতাংশ ছাড়

আপডেটের সময় : ০৮:৩৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

দেশীয় আসবাবশিল্পের আধুনিক নকশা, পণ্যের বৈচিত্র্য ও নতুন উদ্ভাবন তুলে ধরতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ২১তম জাতীয় ফার্নিচার মেলা। বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির (বিএফএসএমএস) আয়োজনে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় অংশ নিয়েছে দেশের ৪৪টি শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানগুলো ৩২৩টি স্টলে তাদের বিভিন্ন ধরনের আসবাব ও আধুনিক ডিজাইনের পণ্য প্রদর্শন করছে।

গতকাল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ মেলা আইসিসিবির পুষ্পগুচ্ছ, রাজদর্শন ও নবরাত্রি হলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। প্রবেশে কোনো ফি লাগবে না। পাশাপাশি মেলা উপলক্ষে ক্রেতারা বিভিন্ন আসবাবের ওপর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক এবং বাংলাদেশ ফার্নিচার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ড. কে এম আকতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএফএসএমএসের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, দেশের আসবাবশিল্প অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে এ খাতে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটি শিল্পটির ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, তৈরি পোশাকশিল্পের মতো প্রচলিত রপ্তানি খাতের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ফার্নিচার ব্র্যান্ডগুলোর অবস্থান তৈরি হওয়া দেশের জন্য গর্বের বিষয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার আসবাবের বাজার গড়ে উঠেছে, যার পুরোটাই এখন দেশীয় শিল্পের দখলে।

বিএফএসএমএসের চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান বলেন, দেশীয় আসবাবশিল্পের অগ্রগতি ধরে রাখতে পণ্যের মান উন্নয়ন, নকশা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়ন এবং দক্ষ জনবলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

মেলা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএফএসএমএসের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ শেখ আবদুল আউয়াল বলেন, জাতীয় ফার্নিচার মেলা দেশীয় উৎপাদকদের নতুন নকশা, পণ্যের বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবন ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে। একই স্থানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর অংশগ্রহণের ফলে ক্রেতারা বিভিন্ন পণ্যের নকশা ও বৈশিষ্ট্য তুলনা করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী আসবাব বেছে নিতে পারবেন।

মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে আখতার, হাতিল, ব্রাদার্স, নাদিয়া, আয়ত, ওমেগা, জেএমজি, নাভানা, অ্যাথেনাস, পারটেক্স, রিগাল ও লেগাসিসহ বিভিন্ন পরিচিত ব্র্যান্ড। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।

মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টার (ডিটিসি)।