ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭
নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রণ্টের বিবৃতি :

দুই বছর ধরে কারাগারে শ্যামল দত্তসহ সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি

  • খবর বিজ্ঞপ্তি :
  • আপডেটের সময় : ০৭:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ কয়েকজন সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছে নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ ও দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের আহ্বায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের বিচার ছাড়াই দীর্ঘ সময় আটকে রাখা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা। বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠান নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের সদস্য মো. রমজান আলী।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, বার্তা প্রধান শাকিল আহমেদ এবং প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে।

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে তাদের কারাগারে আটকে রাখার পাশাপাশি এমন কিছু ঘটনার মামলায়ও তাদের আসামি করা হয়েছে, যেসব ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের মামলা ও হয়রানি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল বাবুকে আটক করা হয়। এর আগে একই বছরের ২১ আগস্ট শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়। এ ছাড়া সাংবাদিক শেখ জামাল, মঞ্জুরুল আলম পান্না, আনিস আলমগীর ও শেখ ইমন আহমেদসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকে এখনো কারাগারে রয়েছেন বলে জানায় সংগঠনটি।

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকসহ সারা দেশে ৪৪৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। এসব মামলা এখনো বহাল রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ ছাড়া পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক সুমন্ত চক্রবর্তী, মেহেদী মামুন, আব্দুর রহমান, প্রবীর দাস, শ্যামল নন্দী ও মেহেরুল সুজনসহ ১১৮ জন সাংবাদিক শারীরিক হেনস্তা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, সাংবাদিক মেহেদী হাসান, শাকিল হোসেন, তাহির জামান, এটিএম তুরাব, প্রদীপ কুমার ভৌমিক ও সোহেল আখঞ্জিসহ ১৩ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকরা দেশের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের ঘটনা তুলে ধরার পাশাপাশি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলে তা সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কারাগারে আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রণ্টের বিবৃতি :

দুই বছর ধরে কারাগারে শ্যামল দত্তসহ সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি

আপডেটের সময় : ০৭:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ কয়েকজন সাংবাদিকের মুক্তি দাবি করেছে নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ ও দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের আহ্বায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের বিচার ছাড়াই দীর্ঘ সময় আটকে রাখা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা। বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠান নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের সদস্য মো. রমজান আলী।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু, বার্তা প্রধান শাকিল আহমেদ এবং প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে।

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে তাদের কারাগারে আটকে রাখার পাশাপাশি এমন কিছু ঘটনার মামলায়ও তাদের আসামি করা হয়েছে, যেসব ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের মামলা ও হয়রানি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল বাবুকে আটক করা হয়। এর আগে একই বছরের ২১ আগস্ট শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়। এ ছাড়া সাংবাদিক শেখ জামাল, মঞ্জুরুল আলম পান্না, আনিস আলমগীর ও শেখ ইমন আহমেদসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকে এখনো কারাগারে রয়েছেন বলে জানায় সংগঠনটি।

নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় দৈনিক, টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকসহ সারা দেশে ৪৪৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। এসব মামলা এখনো বহাল রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ ছাড়া পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক সুমন্ত চক্রবর্তী, মেহেদী মামুন, আব্দুর রহমান, প্রবীর দাস, শ্যামল নন্দী ও মেহেরুল সুজনসহ ১১৮ জন সাংবাদিক শারীরিক হেনস্তা ও হামলার শিকার হয়েছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, সাংবাদিক মেহেদী হাসান, শাকিল হোসেন, তাহির জামান, এটিএম তুরাব, প্রদীপ কুমার ভৌমিক ও সোহেল আখঞ্জিসহ ১৩ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকরা দেশের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধের ঘটনা তুলে ধরার পাশাপাশি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলে তা সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা প্রত্যাহার এবং কারাগারে আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।