ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

দেশে সারের কোন ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

  • মধুমতি ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৭:৫০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭ সময়-দৃশ্য

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, দেশে সারের কোন ঘাটতি নেই। সার নিয়ে যেকোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং ডিলারদের কমিশন বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনাধীন। ফলে বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হলে বরদাশত করা হবে না। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটায় বগুড়ায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সার গোডাউন এবং বিসিআইসির বাফার গোডাউন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, সারের সার্বিক তদারকি, উত্তোলন এবং ডিলারদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত এই কমিটিতে সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সঙ্গে তিনি নিজেও রয়েছেন। কমিটি ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক করে মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের সার এখনই কিনতে শুরু করলে বাজারে একটা কৃত্রিম চাপ তৈরি হয় এবং সারের দামও বাড়ে। প্রতি জেলায় সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যেই পরবর্তী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের চাহিদা মাফিক সার পৌঁছে দেওয়া হবে। তাই অযথা বাড়তি দামে আগেভাগে সার না কেনার জন্য তিনি কৃষক ভাইদের অনুরোধ জানান। গোডাউন পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. মাহফুজ আলমসহ কৃষি বিভাগ ও বাফার গোডাউনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

দেশে সারের কোন ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৭:৫০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, দেশে সারের কোন ঘাটতি নেই। সার নিয়ে যেকোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং ডিলারদের কমিশন বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনাধীন। ফলে বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হলে বরদাশত করা হবে না। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটায় বগুড়ায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সার গোডাউন এবং বিসিআইসির বাফার গোডাউন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, সারের সার্বিক তদারকি, উত্তোলন এবং ডিলারদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত এই কমিটিতে সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সঙ্গে তিনি নিজেও রয়েছেন। কমিটি ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক করে মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের সার এখনই কিনতে শুরু করলে বাজারে একটা কৃত্রিম চাপ তৈরি হয় এবং সারের দামও বাড়ে। প্রতি জেলায় সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যেই পরবর্তী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের চাহিদা মাফিক সার পৌঁছে দেওয়া হবে। তাই অযথা বাড়তি দামে আগেভাগে সার না কেনার জন্য তিনি কৃষক ভাইদের অনুরোধ জানান। গোডাউন পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. মাহফুজ আলমসহ কৃষি বিভাগ ও বাফার গোডাউনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।