ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে ৪ দলিল লেখক বহিষ্কার

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জাল কাগজপত্র দিয়ে দলিল লেখার অভিযোগে গত ১ মাসে ৪ জন দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক বহিষ্কৃত দলিল লেখকরা হলেন, সোনাটিয়া গ্রামের কাসেম শাহের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান শাহ, পাখরপাড় গ্রামের মৃত সুধীর মন্ডলের ছেলে শুক্রাচার্য মন্ডল, বংকুরা গ্রামের নেহাল উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের নিজামুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান বুলবুল শেখ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট কোটালীপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডল দুটি দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করেন। দলিলের সঙ্গে দেওয়া কাগজপত্র দেখে সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেনের সন্দেহ হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই-বাছাই করেন। তদন্তে দলিল দুটির সঙ্গে থাকা কাগজপত্র জাল বলে প্রমাণিত হলে ওই দুই দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এর আগে চলতি আগস্ট মাসের ৭ তারিখে জাল দলিল লেখার অভিযোগে নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল শেখকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ৪ দলিল লেখককে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না,এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বহিষ্কৃত দলিল লেখক মো. মনিরুজ্জামান শাহ বলেন, দাতা-গ্রহীতারা দলিল ও পর্চার কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে দলিল করার জন্য আসেন। নিয়ম মেনেই আমি কাগজপত্র প্রস্তুত করে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিই। পরে তিনি ভায়া দলিল ও দাখিলা জাল বলে জানান। এ ঘটনায় আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমি এরই মধ্যে নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছি।

অন্যদিকে, বহিষ্কৃত দলিল লেখক শুক্রাচার্য মন্ডলের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। কোটালীপাড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বলেন, দলিল রেজিস্ট্রির সময় জাল কাগজপত্র উপস্থাপনের কারণে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডলকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পূর্বে ২ দলিল লেখক সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এরা হলেন নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

কোটালীপাড়ায় জাল দলিলের অভিযোগে ৪ দলিল লেখক বহিষ্কার

আপডেটের সময় : ০৮:৫৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জাল কাগজপত্র দিয়ে দলিল লেখার অভিযোগে গত ১ মাসে ৪ জন দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক বহিষ্কৃত দলিল লেখকরা হলেন, সোনাটিয়া গ্রামের কাসেম শাহের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান শাহ, পাখরপাড় গ্রামের মৃত সুধীর মন্ডলের ছেলে শুক্রাচার্য মন্ডল, বংকুরা গ্রামের নেহাল উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন শেখ এবং কাঠি গ্রামের নিজামুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান বুলবুল শেখ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট কোটালীপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডল দুটি দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করেন। দলিলের সঙ্গে দেওয়া কাগজপত্র দেখে সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেনের সন্দেহ হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই-বাছাই করেন। তদন্তে দলিল দুটির সঙ্গে থাকা কাগজপত্র জাল বলে প্রমাণিত হলে ওই দুই দলিল লেখককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এর আগে চলতি আগস্ট মাসের ৭ তারিখে জাল দলিল লেখার অভিযোগে নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল শেখকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ৪ দলিল লেখককে কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না,এ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য তিন কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বহিষ্কৃত দলিল লেখক মো. মনিরুজ্জামান শাহ বলেন, দাতা-গ্রহীতারা দলিল ও পর্চার কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে দলিল করার জন্য আসেন। নিয়ম মেনেই আমি কাগজপত্র প্রস্তুত করে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিই। পরে তিনি ভায়া দলিল ও দাখিলা জাল বলে জানান। এ ঘটনায় আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আমি এরই মধ্যে নোটিশের লিখিত জবাব দিয়েছি।

অন্যদিকে, বহিষ্কৃত দলিল লেখক শুক্রাচার্য মন্ডলের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। কোটালীপাড়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার নূরে তোজাম্মেল হোসেন বলেন, দলিল রেজিস্ট্রির সময় জাল কাগজপত্র উপস্থাপনের কারণে মো. মনিরুজ্জামান শাহ ও শুক্রাচার্য মন্ডলকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পূর্বে ২ দলিল লেখক সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এরা হলেন নাসির উদ্দিন শেখ ও মিজানুর রহমান বুলবুল।