ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

রাজাপুর হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে আনসার সদস্যের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মারামারি

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে কর্তব্যরত আনসার সদস্যের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে জরুরি বিভাগের ভেতরেই এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর এলাকার মো. হানিফ খানের ছেলে ও বরগুনায় আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত মো. রাহাত হোসেন খান (২৩) এবং তার বোনজামাই সাতুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার মো. শামসুল হকের ছেলে মো. সাইদুল ইসলাম শামীম (৩৭)। হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, সাইদুল ইসলাম শামীম তার এক বছর বয়সী সন্তান তাসবিহতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন শিশুটির মা ও রাহাতসহ কয়েকজন স্বজন। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম শিশুটিকে দেখে স্বজনদের বাইরে সরে যেতে বলেন। এ সময় রাহাত বিষয়টি জানতে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মো. সুমন তাকে সরে যেতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে রাহাত আনসার সদস্যকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সাইদুল ইসলাম শামীমও এতে জড়িয়ে পড়েন। রাহাত হোসেনের দাবি, তার ভাগনির নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ায় তিনি চিকিৎসকের কাছে জানতে যেতে চাইলে আনসার সদস্য সুমন তাকে বাধা দিয়ে ধাক্কা দেন। তিনিও পাল্টা ধাক্কা দেন। পরে রোগী নিয়ে অন্যত্র যেতে চাইলে তাদের আটকে রাখা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে আনসার সদস্য মো. সুমনের দাবি, শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়ার সময় স্বজনরা চিকিৎসককে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকায় চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন ঘটছিল। এ কারণে রাহাতকে সরে যেতে বললে তিনি তাকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম বলেন, জরুরী বিভাগের মধ্যে হট্টগোল শুরু হলে তিনি সবাইকে শান্ত হতে বলেন। পরিস্থিতি শান্ত না হলে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি। কাউকে তিনি আটকে রাখেননি দাবি করে চিকিৎসক বলেন, আনসার সদস্যদের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের কিছু সময়ের জন্য আনসার সদস্যরা আটকে রেখেছিলেন। রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মেহেজাবীন ফারহানা নিসা বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

রাজাপুর হাসপাতালে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে আনসার সদস্যের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মারামারি

আপডেটের সময় : ০৯:০২:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে শিশুর চিকিৎসা নিয়ে কর্তব্যরত আনসার সদস্যের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) রাতে জরুরি বিভাগের ভেতরেই এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন- রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর এলাকার মো. হানিফ খানের ছেলে ও বরগুনায় আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত মো. রাহাত হোসেন খান (২৩) এবং তার বোনজামাই সাতুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার মো. শামসুল হকের ছেলে মো. সাইদুল ইসলাম শামীম (৩৭)। হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, সাইদুল ইসলাম শামীম তার এক বছর বয়সী সন্তান তাসবিহতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন শিশুটির মা ও রাহাতসহ কয়েকজন স্বজন। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম শিশুটিকে দেখে স্বজনদের বাইরে সরে যেতে বলেন। এ সময় রাহাত বিষয়টি জানতে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মো. সুমন তাকে সরে যেতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে রাহাত আনসার সদস্যকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সাইদুল ইসলাম শামীমও এতে জড়িয়ে পড়েন। রাহাত হোসেনের দাবি, তার ভাগনির নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসা দিতে দেরি হওয়ায় তিনি চিকিৎসকের কাছে জানতে যেতে চাইলে আনসার সদস্য সুমন তাকে বাধা দিয়ে ধাক্কা দেন। তিনিও পাল্টা ধাক্কা দেন। পরে রোগী নিয়ে অন্যত্র যেতে চাইলে তাদের আটকে রাখা হয় বলে দাবি করেন তিনি। তবে আনসার সদস্য মো. সুমনের দাবি, শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়ার সময় স্বজনরা চিকিৎসককে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকায় চিকিৎসা সেবায় বিঘ্ন ঘটছিল। এ কারণে রাহাতকে সরে যেতে বললে তিনি তাকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম বলেন, জরুরী বিভাগের মধ্যে হট্টগোল শুরু হলে তিনি সবাইকে শান্ত হতে বলেন। পরিস্থিতি শান্ত না হলে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি। কাউকে তিনি আটকে রাখেননি দাবি করে চিকিৎসক বলেন, আনসার সদস্যদের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের কিছু সময়ের জন্য আনসার সদস্যরা আটকে রেখেছিলেন। রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মেহেজাবীন ফারহানা নিসা বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।