ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা ডাকসুতে ইতিহাসের বিতর্ক, বাংলাদেশের জন্মপথ কি মুছে ফেলা যায়? জেডএফসি-২: বাংলাদেশের কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন দিগন্ত মোংলায়  জীবাশ্ম জ্বালানির নতুন প্রকল্প না করার দাবিতে মানববন্ধন রাজশাহীতে নারীসহ আলোচিত সাবেক ওসি মাহবুব আলম আটক  বাউফলে তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে দোকানে তালা দেওয়ার অভিযোগ যুবদল কর্মীর বিরুদ্ধে ভোলায় ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ মাদারীপুরে বেশি লাভের আশায় পচে গেল ৩ কোটি টাকার আলু পাথরঘাটায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ড্রেজার-বাল্কহেডসহ আটক ৭

বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের দুই আসামি গ্রেপ্তার, নেপথ্যে পরকীয়া বিরোধ :পুলিশ ‍সুপার

  • মধুমতি ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৫ সময়-দৃশ্য

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দের খোলা গ্রামে একই পরিবারের তিনজনকে নৃসংসভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত দুই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরকীয়ার বিষয়টি স্বজনদের কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ​গত ৪ আগস্ট চান্দের খোলা গ্রামের একই ঘর থেকে মা, ছেলে ও নানির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন—মা, তার সন্তান আহাদ এবং বৃদ্ধা নানি। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি করে।আজ রবিবার  দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন পুলিশ সুপার হাসান মোঃ নাসের রিকাবদার।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পরপরই জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্থানীয় সোর্সের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত আসাদুলসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি আসাদুলের সাথে ভিকটিম পরিবারের এক নারী সদস্যের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সম্প্রতি এই অনৈতিক সম্পর্কের কথা পরিবারের সদস্যরা জেনে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা করে আসাদুল।

​পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসাদুল তার সহযোগী আসামিদের নিয়ে মূল টার্গেট আহাদকে হত্যার উদ্দেশ্যে মধ্যরাতে তাদের ঘরে প্রবেশ করে। তবে ঘরে থাকা আহাদের মা এবং নানি জেগে ওঠায় এবং আসামিদের চিনে ফেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এবং পরিচয় গোপন রাখতে ঘাতকরা একে একে তিনজনকেই নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

​সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এই হত্যাকাণ্ডে আরও কারও ইন্ধন বা সম্পৃক্ততা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।#

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

dainik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

পাহাড়ি নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সহায়তা

বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের দুই আসামি গ্রেপ্তার, নেপথ্যে পরকীয়া বিরোধ :পুলিশ ‍সুপার

আপডেটের সময় : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দের খোলা গ্রামে একই পরিবারের তিনজনকে নৃসংসভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত দুই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরকীয়ার বিষয়টি স্বজনদের কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ​গত ৪ আগস্ট চান্দের খোলা গ্রামের একই ঘর থেকে মা, ছেলে ও নানির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন—মা, তার সন্তান আহাদ এবং বৃদ্ধা নানি। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি করে।আজ রবিবার  দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন পুলিশ সুপার হাসান মোঃ নাসের রিকাবদার।

পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পরপরই জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্থানীয় সোর্সের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত আসাদুলসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি আসাদুলের সাথে ভিকটিম পরিবারের এক নারী সদস্যের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সম্প্রতি এই অনৈতিক সম্পর্কের কথা পরিবারের সদস্যরা জেনে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা করে আসাদুল।

​পরিকল্পনা অনুযায়ী, আসাদুল তার সহযোগী আসামিদের নিয়ে মূল টার্গেট আহাদকে হত্যার উদ্দেশ্যে মধ্যরাতে তাদের ঘরে প্রবেশ করে। তবে ঘরে থাকা আহাদের মা এবং নানি জেগে ওঠায় এবং আসামিদের চিনে ফেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এবং পরিচয় গোপন রাখতে ঘাতকরা একে একে তিনজনকেই নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

​সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এই হত্যাকাণ্ডে আরও কারও ইন্ধন বা সম্পৃক্ততা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।#