ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
তিন দিনের ব্যবধানে কেসিসির দুই চালকের মৃত্যু দাকোপে নদীগর্ভে বেড়িবাঁধ, হুমকিতে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি আমার কোনো সঞ্চয় নেই, মেয়েরাই আমার সঞ্চয় : উপকুলে আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন শ্যামনগর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অনুমোদিত কমিটি ঘোষণা : সভাপতি বিষ্ণুপদ মন্ডল,সাধারণ সম্পাদক কিরণ চ্যাটার্জী ফ্ল্যাটের দাম নাগালে আনতে গৃহঋণে ৫ শতাংশ সুদ চান রিহ্যাব সভাপতি এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন অধ্যায় ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণজোয়ার সৃষ্টি করবে : অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ এমপি খুলনায় লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে ঘর, খাদ্য ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ এবং মেডিকেল সহায়তা প্রদান রামপালে জেলা পরিষদের মালিকানা জমিতে সুপার মার্কেট নির্মাণে মতবিনিময় সভা ইসলামপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, মাদকবিরোধী শপথ নিল শতাধিক শিক্ষার্থী

জুন-২০২৬ সেরা সাংবাদিক’ সম্মাননা পেলেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ার ১৭ সাংবাদিক

বস্তুনিষ্ঠ ও মানসম্মত সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করতে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের ছয়টি সংবাদমাধ্যমের ১৭ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ। ‘জুন-২০২৬ সেরা সাংবাদিক’ সম্মাননার আওতায় নির্বাচিত সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

শনিবার দুপুরে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এবং এবিজি (আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ)-এর চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের পক্ষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী ও ডিএমডি ফাইন্যান্স ইমরুল হাসান।

এ সময় জানানো হয়, দেশ ও মানুষের কল্যাণে লেখনীর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সাংবাদিকদের কাজের স্বীকৃতি দিতে বসুন্ধরা গ্রুপের সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে প্রতি মাসে ১২ জনকে মাসসেরা সাংবাদিক হিসেবে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই উদ্যোগের প্রথম ধাপ হিসেবে জুন মাসের সেরা সাংবাদিকদের এই সম্মাননা দেওয়া হলো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার ও নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক একরামুল হক ভূঁঞা (লোটন একরাম) ও নির্বাহী সম্পাদক আফাজ উদ্দিন বিপ্লব, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক এ কে এম মঞ্জুরুল হক, ডেইলি সানের সম্পাদক মো. রেজাউল করিম লোটাস এবং নিউজ২৪ টিভির হেড অব নিউজ শরিফুল ইসলাম খানসহ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জুন-২০২৬ মাসের সেরা সাংবাদিক হিসেবে কালের কণ্ঠ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন শিমুল মাহমুদ। তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘চরম দুরবস্থায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ : শিখন ঘাটতিতে ডাক্তারি ডিগ্রি’।

একই সংবাদমাধ্যমের সজীব আহমেদ পুরস্কৃত হয়েছেন ‘এক রিচার্জে ১৮০-২০০ ডিজিট, বিপাকে গ্রাহক’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য। চট্টগ্রামের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার অনিক আখন্দ সম্মাননা পেয়েছেন ‘কর্তার দাপটে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের অফিস হয়ে গেল রেস্ট হাউজ, কেনাকাটায় অনিয়ম’ শিরোনামের প্রতিবেদনের জন্য।

বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন ইলিয়াস সরকার। তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘মৃত্যুদণ্ড নিয়ে কনডেম সেলে এক দশক : শিউলির পর এবার মুক্তি পাচ্ছেন মাশকুরা’। ইকরাম-উদ-দৌলা সম্মাননা পেয়েছেন ‘১৫ বছর পর পর এনআইডি নবায়ন করতে হবে’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য।

এ ছাড়া আবির রহমানের ‘কেপ ভার্দে-কুরাসাও পারলে বাংলাদেশ কেন পেছনে’, জিএম মুজিবুরের ‘ইট-পাথরের নগরে হারিয়ে যাচ্ছে পাখির আবাস, সংকটে বাস্তুতন্ত্র’ এবং চট্টগ্রাম ব্যুরোর মিজানুর রহমানের ‘পাহাড় হারাচ্ছে চট্টগ্রাম, বাড়ছে ঝুঁকি’ শীর্ষক প্রতিবেদন পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে সম্মাননা পেয়েছেন শামীম আহমেদ। তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!’। মাহবুব মমতাজী পুরস্কৃত হয়েছেন ‘অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য। ইমরান রহমানের ‘ভয়ংকর জম্বি এখন বাংলাদেশে’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিও পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়।

ডেইলি সান থেকে এহসানুল হক জসিম ও আসাদুল ইসলাম যৌথভাবে ‘Environmental justice turns into a wild goose chase’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম পুরস্কৃত হয়েছেন ‘SDG deadlines loom, PWD workforce still untapped’ শিরোনামের প্রতিবেদনের জন্য। মৌসুমী ইসলাম সম্মাননা পেয়েছেন ‘Can high rates revive investment?’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য।

নিউজ২৪ ও টি-স্পোর্টসের সংবাদকর্মীরাও এই স্বীকৃতির আওতায় এসেছেন। নিউজ২৪-এর সাজ্জাদ হোসেন পুরস্কৃত হয়েছেন ‘ঘুষের ফাঁদে প্রবাসীর স্ত্রী, তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে প্রতিমন্ত্রী’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য।

অন্যদিকে, টি-স্পোর্টসের মোমিন রোহন সম্মাননা পেয়েছেন ‘বাবা হাসপাতালের প্রহরী, ছেলে জাকির বাংলার উসাইন বোল্ট, নতুন কুঁড়ির সেরা বালক স্প্রিন্টার’ শিরোনামের প্রতিবেদনের জন্য।

‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে বসুন্ধরা গ্রুপ’—এই স্লোগান সামনে রেখে বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী বলেন, সাংবাদিকদের কাজের স্বীকৃতি দিতে প্রতি মাসেই এ সম্মাননা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চাকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান সব সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁর ঘোষণার আলোকে মানসম্পন্ন প্রতিবেদন তৈরিতে সাংবাদিকদের উৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বসুন্ধরা গ্রুপের ডিএমডি ফাইন্যান্স ইমরুল হাসান বলেন, গ্রুপের প্রতিটি সংবাদমাধ্যম থেকে মানসম্মত প্রতিবেদন নির্বাচন এবং মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ও নির্ধারিত কমিটি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। এতে বিভিন্ন বিটের সংবাদ ও প্রতিবেদনের গুণগত মান যথাযথভাবে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্পাদকরা সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করার এ উদ্যোগের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ধন্যবাদ জানান। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এ সম্মাননা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাংবাদিকেরা আরও দায়িত্বশীল, অনুসন্ধানী ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন তৈরিতে উৎসাহিত হবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

তিন দিনের ব্যবধানে কেসিসির দুই চালকের মৃত্যু

জুন-২০২৬ সেরা সাংবাদিক’ সম্মাননা পেলেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ার ১৭ সাংবাদিক

আপডেটের সময় : ০৬:২১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বস্তুনিষ্ঠ ও মানসম্মত সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করতে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের ছয়টি সংবাদমাধ্যমের ১৭ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ। ‘জুন-২০২৬ সেরা সাংবাদিক’ সম্মাননার আওতায় নির্বাচিত সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

শনিবার দুপুরে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এবং এবিজি (আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ)-এর চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের পক্ষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী ও ডিএমডি ফাইন্যান্স ইমরুল হাসান।

এ সময় জানানো হয়, দেশ ও মানুষের কল্যাণে লেখনীর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সাংবাদিকদের কাজের স্বীকৃতি দিতে বসুন্ধরা গ্রুপের সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে প্রতি মাসে ১২ জনকে মাসসেরা সাংবাদিক হিসেবে পুরস্কৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই উদ্যোগের প্রথম ধাপ হিসেবে জুন মাসের সেরা সাংবাদিকদের এই সম্মাননা দেওয়া হলো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠের সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার ও নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক একরামুল হক ভূঁঞা (লোটন একরাম) ও নির্বাহী সম্পাদক আফাজ উদ্দিন বিপ্লব, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক এ কে এম মঞ্জুরুল হক, ডেইলি সানের সম্পাদক মো. রেজাউল করিম লোটাস এবং নিউজ২৪ টিভির হেড অব নিউজ শরিফুল ইসলাম খানসহ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জুন-২০২৬ মাসের সেরা সাংবাদিক হিসেবে কালের কণ্ঠ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন শিমুল মাহমুদ। তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘চরম দুরবস্থায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ : শিখন ঘাটতিতে ডাক্তারি ডিগ্রি’।

একই সংবাদমাধ্যমের সজীব আহমেদ পুরস্কৃত হয়েছেন ‘এক রিচার্জে ১৮০-২০০ ডিজিট, বিপাকে গ্রাহক’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য। চট্টগ্রামের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার অনিক আখন্দ সম্মাননা পেয়েছেন ‘কর্তার দাপটে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের অফিস হয়ে গেল রেস্ট হাউজ, কেনাকাটায় অনিয়ম’ শিরোনামের প্রতিবেদনের জন্য।

বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন ইলিয়াস সরকার। তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘মৃত্যুদণ্ড নিয়ে কনডেম সেলে এক দশক : শিউলির পর এবার মুক্তি পাচ্ছেন মাশকুরা’। ইকরাম-উদ-দৌলা সম্মাননা পেয়েছেন ‘১৫ বছর পর পর এনআইডি নবায়ন করতে হবে’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য।

এ ছাড়া আবির রহমানের ‘কেপ ভার্দে-কুরাসাও পারলে বাংলাদেশ কেন পেছনে’, জিএম মুজিবুরের ‘ইট-পাথরের নগরে হারিয়ে যাচ্ছে পাখির আবাস, সংকটে বাস্তুতন্ত্র’ এবং চট্টগ্রাম ব্যুরোর মিজানুর রহমানের ‘পাহাড় হারাচ্ছে চট্টগ্রাম, বাড়ছে ঝুঁকি’ শীর্ষক প্রতিবেদন পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে সম্মাননা পেয়েছেন শামীম আহমেদ। তাঁর প্রতিবেদনের শিরোনাম ‘কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!’। মাহবুব মমতাজী পুরস্কৃত হয়েছেন ‘অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য। ইমরান রহমানের ‘ভয়ংকর জম্বি এখন বাংলাদেশে’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিও পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়।

ডেইলি সান থেকে এহসানুল হক জসিম ও আসাদুল ইসলাম যৌথভাবে ‘Environmental justice turns into a wild goose chase’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম পুরস্কৃত হয়েছেন ‘SDG deadlines loom, PWD workforce still untapped’ শিরোনামের প্রতিবেদনের জন্য। মৌসুমী ইসলাম সম্মাননা পেয়েছেন ‘Can high rates revive investment?’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য।

নিউজ২৪ ও টি-স্পোর্টসের সংবাদকর্মীরাও এই স্বীকৃতির আওতায় এসেছেন। নিউজ২৪-এর সাজ্জাদ হোসেন পুরস্কৃত হয়েছেন ‘ঘুষের ফাঁদে প্রবাসীর স্ত্রী, তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে প্রতিমন্ত্রী’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জন্য।

অন্যদিকে, টি-স্পোর্টসের মোমিন রোহন সম্মাননা পেয়েছেন ‘বাবা হাসপাতালের প্রহরী, ছেলে জাকির বাংলার উসাইন বোল্ট, নতুন কুঁড়ির সেরা বালক স্প্রিন্টার’ শিরোনামের প্রতিবেদনের জন্য।

‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে বসুন্ধরা গ্রুপ’—এই স্লোগান সামনে রেখে বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী বলেন, সাংবাদিকদের কাজের স্বীকৃতি দিতে প্রতি মাসেই এ সম্মাননা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চাকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান সব সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁর ঘোষণার আলোকে মানসম্পন্ন প্রতিবেদন তৈরিতে সাংবাদিকদের উৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বসুন্ধরা গ্রুপের ডিএমডি ফাইন্যান্স ইমরুল হাসান বলেন, গ্রুপের প্রতিটি সংবাদমাধ্যম থেকে মানসম্মত প্রতিবেদন নির্বাচন এবং মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ও নির্ধারিত কমিটি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। এতে বিভিন্ন বিটের সংবাদ ও প্রতিবেদনের গুণগত মান যথাযথভাবে মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্পাদকরা সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করার এ উদ্যোগের জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ধন্যবাদ জানান। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এ সম্মাননা কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাংবাদিকেরা আরও দায়িত্বশীল, অনুসন্ধানী ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন তৈরিতে উৎসাহিত হবেন।