ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদের শিরোনাম :
তিন দিনের ব্যবধানে কেসিসির দুই চালকের মৃত্যু দাকোপে নদীগর্ভে বেড়িবাঁধ, হুমকিতে ঘরবাড়ি-ফসলি জমি আমার কোনো সঞ্চয় নেই, মেয়েরাই আমার সঞ্চয় : উপকুলে আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন শ্যামনগর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অনুমোদিত কমিটি ঘোষণা : সভাপতি বিষ্ণুপদ মন্ডল,সাধারণ সম্পাদক কিরণ চ্যাটার্জী ফ্ল্যাটের দাম নাগালে আনতে গৃহঋণে ৫ শতাংশ সুদ চান রিহ্যাব সভাপতি এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন অধ্যায় ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণজোয়ার সৃষ্টি করবে : অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ এমপি খুলনায় লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে ঘর, খাদ্য ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ এবং মেডিকেল সহায়তা প্রদান রামপালে জেলা পরিষদের মালিকানা জমিতে সুপার মার্কেট নির্মাণে মতবিনিময় সভা ইসলামপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, মাদকবিরোধী শপথ নিল শতাধিক শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী দুই ইনজেকশনেও বেঁচে গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে এক নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড বুধবার ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি কারাগারে কার্যকর করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও তিনি জীবিত ছিলেন বলে তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন। এরপর আইনজীবীরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতের হস্তক্ষেপ চান এবং পরে পাইককে কারাগারের বাইরে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। টেনেসি কারা বিভাগ জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে রাজ্যের অনুমোদিত সব নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে কেন প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হলো, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে চলতি বছরের বাকি নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অপরাধের সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তার আইনজীবীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আদালতে আবেদন করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাজা দেওয়ার সময় পাইকের শৈশব ও মানসিক স্বাস্থ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যথেষ্টভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আবেদন নাকচ করেন। টেনেসিতে এ বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে গিয়ে এটি দ্বিতীয় বড় সমস্যার ঘটনা। গত মে মাসেও আরেক বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে হয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

danik madhumati

জনপ্রিয় পোস্ট

তিন দিনের ব্যবধানে কেসিসির দুই চালকের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী দুই ইনজেকশনেও বেঁচে গেলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী

আপডেটের সময় : ১০:৫২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে এক নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড বুধবার ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি কারাগারে কার্যকর করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও তিনি জীবিত ছিলেন বলে তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন। এরপর আইনজীবীরা জরুরি ভিত্তিতে আদালতের হস্তক্ষেপ চান এবং পরে পাইককে কারাগারের বাইরে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। টেনেসি কারা বিভাগ জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে রাজ্যের অনুমোদিত সব নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে কেন প্রক্রিয়াটি ব্যর্থ হলো, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে চলতি বছরের বাকি নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অপরাধের সময় পাইকের বয়স ছিল ১৮ বছর। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তার আইনজীবীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আদালতে আবেদন করেন। তাদের যুক্তি ছিল, সাজা দেওয়ার সময় পাইকের শৈশব ও মানসিক স্বাস্থ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যথেষ্টভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের আবেদন নাকচ করেন। টেনেসিতে এ বছর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে গিয়ে এটি দ্বিতীয় বড় সমস্যার ঘটনা। গত মে মাসেও আরেক বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে হয়েছিল।